মান্না চন্দ.টিওডি.কুমারগঞ্জ
গত শনিবার ভোটার তালিকার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ হয়। আর এই তালিকা প্রকাশকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে জেলার কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ উদ্যোগে আজ থানা এলাকার একাধিক গ্রাম ও বাজারে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যাপকভাবে রুট মার্চ করে। রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ডাঙ্গারহাট বাজার এলাকায় বাহিনী টহল দেয়।পাশাপাশি সমজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সুবর্ণশহীদ,দাউতপুর ,রসুলপুর,ফকিরগঞ্জ বাজার, সমজিয়া, সুন্দরপুর, নবগ্রাম, মোল্লাদিঘী,দেউন, বড়াইত, নেউনা, বাদআঙিনা ও বাসন্তী গ্রামেও রুটমার্চ পরিচালিত হয়। জনবহুল বাজার ও সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর রাখা হয়।
এই যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ডিএসপি ডিএনটি শাজাহান হোসেন ও কুমারগঞ্জ থানার আইসি শীর্ষেন্দু কুন্ডু। অনেকের মনেই প্রশ্ন তাহলে কি ভোটের দামামা বেজেই গেল? না অন্য কোন কারণে এত কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেই প্রেক্ষাপটে যাতে কোনরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও উত্তেজনা বা গুজব না ছড়ায় বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের দাবি ভোট প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। রুটমার্চ চলাকালীন বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
কোনরকম গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি দেখে এলাকাবাসীর মধ্যেও স্বস্তির বার্তা ছড়িয়েছে বলে জানা যায়। এ প্রসঙ্গে কুমারগঞ্জ থানার আইসি শীর্ষেন্দু কুন্ডু বলেন, ভোটার তালিকা প্রকাশের পর প্রশাসন সর্বদা সতর্ক রয়েছে। কোথাও যাতে অশান্তি বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত টহল ও রুট মার্চ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আগামী দিনেও এ ধরনের অভিযান চলবে। বর্তমানে কুমারগঞ্জ থানার অধীন সমস্ত এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ রয়েছে বলেও তিনি জানান।





0 Comments